Posts

Showing posts from April, 2018

সংকলন ২০- নারী চরিত্র বনাম গোয়েন্দা

হোটেলে বসে খাচ্ছিল জোবায়ের আর ফয়সাল। হঠাৎ জানা গেল, কোথায় যেন ভীষণ আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে খাবার না খেয়েই ছুট লাগাল জোবায়ের। পেছন থেকে ডাকল ফয়সাল, ‘কিরে, তুই যে একজন দমকলকর্মী, জানা ছিল না তো!’ জোবায়ের: আমি না, তবে আমার প্রেমিকার বাবা একজন দমকলকর্মী। দেখা করার এই সুযোগ! ---------------------------- এক দুষ্ট ছেলে থানায় ফোন করেছে। – এইটা কি পুলিশ স্টেশন? – হ্যাঁ। – আপনি কি পুলিশ? – হ্যাঁ। – আপনার থানায় বাথরুম আছে? – হ্যাঁ। – আপনার বাথরুমে কমোড আছে? – হ্যাঁ, আছে। – তাহলে কমোডের মধ্যে মাথা ঢুকাইয়া বইসা থাকেন। এই বলে ছেলেটি ফোন কেটে দিল। কিছুক্ষণ পর পুলিশ নাম্বার বের করে কলব্যাক করল। ছেলেটির বাবা ফোন ধরল। পুলিশ অভিযোগ করল, আপনার ছেলে আমাকে কমোডে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে বলেছে। – কতক্ষণ আগে বলেছে? – এই ধরেন ১০ মিনিট। – তাহলে এখন মাথা বের করে ফেলেন। -------------------------- কোন দেশের পুলিশের দক্ষতা কেমন সেই নিয়ে কয়েক দেশের পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে। জাপানী পুলিশ : যে কোন ঘটনা কে ঘটিয়েছে সেটা জানতে আমাদের ৭২ ঘন্টা সময় লাগে। বৃটিশ পুলিশ : আরে দূর আমরা দুনিয়ার সেরা পুলিশ । অন্যায় কারীক...

সংকলন ১৯- ওজনের জন্য চিন্তা

জাদুঘরে বেড়াতে গিয়ে বেখেয়ালে একটা চেয়ার ভেঙে ফেলল পল্টু। হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এল জাদুঘরের কর্মচারী। বলল, ‘আরে করেছেন কী? জানেন, এই চেয়ারটা ৪০০ বছরের পুরোনো!’ হেসে বলল পল্টু, ‘যাক, বাঁচালেন। আমি তো ভেবেছিলাম নতুন!’ -------------------------- বিলু: শুনেছ, লাইব্রেরিতে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে! রঞ্জু: কেন, কী হয়েছে? বিলু: কেউ একজন ডিকশনারিতে ডিনামাইট খুঁজে পেয়েছে ------------------------ গ্রামের এক দম্পতি শহরে এসে একটা দুই-তলা বাসের দোতলায় উঠল। স্বামীটি কিছুক্ষণ এদিক ওদিক তাকিয়ে স্ত্রীকে বলল, এই নাম। এই বাসে ড্রাইভার নাই। ------------------------ বইয়ের দোকানে ঢুকে এক ভদ্রলোক কিছু বই চাইলেন। : কী রকম বই চান, বলুন। হালকা কিছু? : না, না, ওজনের জন্য আপনি মোটেই চিন্তা করবেন না। আমার সাথে গাড়ি আছে।

সংকলন ১৮- জীবজন্তু পড়তে পারে না

কোনো কোনো লেখক শুধু জীবজন্তু নিয়ে লেখেন কেন? : কারণ জীবজন্তু পড়তে পারে না। -------------------- : কী রে, প্রকাশকের সঙ্গে এতক্ষণ কী ফিসফাস করলি? : এই তো, আমার নতুন বইটার ভুত-ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু আলাপ-আলোচনা করলাম … : তা তিনি কী বললেন? : বললেন, আমার বইয়ের ভুত আছে তিনি নিশ্চিত, তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি সন্দিহন। -------------------- ভক্ত: আপনার আত্মজীবনীটা পড়ে খুব ভালো লাগল। লেখক: ধন্যবাদ। ভক্ত: এ রকম আরও কয়েকটা লিখুন না। ------------------- লেখক : আমি যে লেখালেখির কিছুই জানি না সেটা আমি এতদিনে বুঝতে পারলাম। সাংবাদিক : তা হলে এখন কি আপনি লেখালেখি ছেড়ে দিবেন? লেখক : তা-ই বা কেমন করে দিই? এখন তো আমি বিখ্যাত লেখক।

সংকলন ১৭- সিটটা কি খালি

ছেলে: আপনার পাশের সিটটা কি খালি? মেয়ে: জি। আপনি বসলে আমারটাও খালি হয়ে যাবে। -------------------------- ফ্লাট বাড়ির তিন তলায় ছয় বছরের এক ছেলে কলিংবেল বাজাবার চেষ্টা করছে কিন্তু নাগাল পাচ্ছে না। এক ভদ্রলোক তা দেখে কলিংবেল টিপে জিজ্ঞেসা করলেন, আবার কী করব? ছেলেটি বলল, আমি তো পালাব। আপনি কি করবেন তা আমি কি জানি? --------------------------- এ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নারীজাতিকে একদম রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছে। —মানে? —মানে, দেখিস না, প্রতিটি স্কুলের সামনে মায়েরা কেমন রাস্তায় বসে থাকে! --------------------------- অল্প বয়সের এক ছেলেকে সিগারেট খেতে দেখে এক ভদ্রমহিলা ধমকে উঠলেন, এই ছেলে, এই বয়সে সিগারেট খাচ্ছ লজ্জা করে না তোমার! ছেলে পাল্টা ধমকে উঠল, আপনি যে পরপুরুষের সাথে কথা বলছেন আপনার লজ্জ করে না! -

সংকলন ১৬- ১০০ রান করতে দিব না

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন অধিনায়ক। সাংবাদিক: আজকে আপনাদের পরিকল্পনা কী? অধিনায়ক: যে করেই হোক, বিপক্ষ দলকে আজ আমরা ১০০ রান করতে দেব না। সাংবাদিক: এত নিশ্চিত হচ্ছেন কী করে? অধিনায়ক: কারণ, আমরা আজকে আগে ব্যাট করব এবং ১০০ রানের নিচে অলআউট হয়ে যাব। --------------------------------------------- একজন মোটামুটি টাইপের ক্রিকেটারের বাবা ছিলেন অন্ধ। কিন্তু তিনি চোখে দেখতে না পেলেও ছেলেকে উৎসাহ দিতে ছেলের প্রতিটা ম্যাচে মাঠে উপস্থিত থাকতেন। একটা বড় ম্যাচের আগের রাতে ক্রিকেটারের বাবা মারা গেলেন। পরের দিন ছেলেটি এত ভাল খেলে ম্যাচ জিতিয়ে হিরো হয়ে গেলেন। সবাই তো অবাক! সংবাদিকরা জিজ্ঞেস করলেন, হঠাত করে এমন ভালো খেলার কারণ কী? ক্রিকেটার উত্তর দিলেন, এই প্রথম আমার বাবা আমার খেলা দেখছিলেন। --------------------------------------------- ডব্লিউ জি গ্রেস একবার বোল্ড আউট হলেন। বিস্মিত হয়ে তিনি আম্পায়ারকে বলছিলেন, ‘বল উইকেটে লাগেনি, স্যার। বাতাসে বেল পড়ে গেছে।’ আম্পায়ার বললেন, ‘যে বাতাস বেল ফেলে দিতে পারে, আশা করি, সেই বাতাস আপনাকে প্যাভিলিয়নে পৌঁছে দিতেও সাহায্য করবে।’

সংকলন ১৫- ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই

মিস্টার রবার্ট আর মিসেস রবার্ট দুজন প্রায়ই একটি বেসরকারি বিমানবন্দরে বেড়াতে যান। সুন্দর, ছোট্ট বিমানগুলো দেখে রবার্ট মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে বলেন, ‘আমরা যদি একদিন এমন একটি বিমানে ঘুরে বেড়াতে পারতাম!’‘ মাথা খারাপ! অমন একটা বিমানে চড়তে ১০০ ডলার লাগে। ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ স্বামীকে বোঝান মিসেস রবার্ট। এভাবে এক দিন, দুই দিন, তিন দিন…প্রতিদিন মিস্টার রবার্টের একই আবদার। মিসেস রবার্টেরও একই কথা, ‘…১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ অবশেষে একদিন একজন বৈমানিক তাঁদের প্রতি সদয় হলেন। বললেন, ‘আমি তোমাদের বিনা মূল্যে আকাশটা ঘুরিয়ে আনতে পারি এক শর্তে। তোমরা একটা টুঁ শব্দ করতে পারবে না। যদি করো, তাহলে ১০০ ডলার দিতে হবে। ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ মিস্টার আর মিসেস রবার্টকে নিয়ে বিমান আকাশে উড়ল। তাঁদের ভয় দেখানোর জন্য বৈমানিক আকাশে বেশ কয়েকবার ডিগবাজি খেলেন, মাটির খুব কাছাকাছি দিয়ে ছুটে গেলেন, প্রচণ্ড ঝাঁকি দিলেন। পেছনে টুঁ শব্দটাও হলো না। নিচে নেমে বৈমানিক বললেন, ‘কীভাবে পারলেন আপনারা?’ রবার্ট বললেন, ‘আমার স্ত্রী যখন জানালা দিয়...

সংকলন ১৪- বিএসএফ (এক্সট্রিম :D)

একদিন এক বাংলাদেশী দম্পতি ট্রেনে করে কলকাতা যাচ্ছিলো.সেই বগিতে পাঁচজন BSF সৈন্য ও ছিল. বাংলাদেশী দম্পতির বউ ছিল গর্ভবতী.তখন BSF সৈন্যরা ভাবল তাদের নিয়ে একটু মজা করবে.তখন BSF সেনা বাংলাদেশী নাগরিকে প্রশ্ন করল,তোমরা কোন দেশের নাগরিক? বাংলাদেশী লোকটা বলল আমি বাংলাদেশের নাগরিক. তখন সেনাটি বলল, তোমার বউ কি প্রেগনেট? বাংলাদেশী লোকটা বুঝতে পারে সেনাটি ইচ্ছা করে তাকে অপমান করার জন্য কথাটি বলসে. তখন লোকটিবলল, হ্যা. সেনাটি এবার বলল যদিতোমার ছেলে হয় তবে তাকে ভবিষ্যতে কি হিসেবে দেখতে চাও? তখন লোকটি বলল, কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার. সেনাটি আবার প্রশ্নকরল, যদি মেয়ে হয় তবে? লোকটি বলল, ডাক্তার তখন. সেনাটি লোকটিকে অপমান করার জন্য বলল, যদি ছেলে মেয়ে উভয় হই মানে হিজড়া হয় তখন কি করবে? তখনলোকটি হেসে বলল, "কেন BSF এর সেনা বানাব"

সংকলন ১৩- পরিচয়পত্রটা দেখান

গদা: আচ্ছা পদা, বলতো গোয়েন্দারা সাধারণত প্রেম-ভালোবাসা-বিয়ে থেকে দূরে থাকে কেন? পদা: নারী চরিত্র বেজায় জটিল, কিছুই বুঝতে পারবে না। ------------------------------------------- একদিন এক কৃষকের বাড়িতে হানা দিলেন এক গোয়েন্দা। সহজ সরল কৃষককে ধমক দিয়ে গোয়েন্দা বললেন, ‘সরে দাঁড়াও, আজ তোমার বাড়িতে তল্লাশি করব!’ কৃষক বললেন, ‘তল্লাশি করতে চান, করুন স্যার। কিন্তু দয়া করে বাড়ির উত্তর দিকের মাঠটাতে যাবেন না।’ গোয়েন্দা কৃষকের নাকের ডগায় পরিচয়পত্রটা ঝুলিয়ে বললেন, ‘এটা চেন? এখানে আমার নাম লেখা আছে—গোয়েন্দা ছক্কু মিঞা! এটা দেখলে যে কেউ ভয়ে কুঁকড়ে যায়! আর তুমি কিনা আমার কাজে বাধা দিতে চাও?’ ঝাড়ি খেয়ে আর কিছু বললেন না কৃষক। কিছুক্ষণ পরই দেখা গেল, উত্তর দিকের মাঠ থেকে গোয়েন্দা ছক্কু মিঞার চিৎকার শোনা যাচ্ছে, ‘বাঁচাও! আমাকে বাঁচাও’। কৃষক ছুটে গিয়ে দেখলেন, একটা ষাঁড় ছক্কু মিঞাকে তাড়া করছে। দূর থেকে কৃষক বললেন, ‘স্যার, ওকে আপনার পরিচয়পত্রটা দেখান!’ ----------------------------------------------

সংকলন ১২- ঘোড়া কুস্তিগীর আর একটা পিপড়া

গ্রীষ্মের ছুটিতে কটা দিন নিরিবিলিতে কাটাবেন বলে বনের ভেতর একটা হোটেলে উঠলেন সরদারজি। দেখা গেল, দুদিন হোটেলে থেকেই বাক্সপেটরা নিয়ে বাড়ির পথ ধরেছেন তিনি। ছুটে এল হোটেল ম্যানেজার, ‘স্যার, আপনার তো এক সপ্তাহ থাকার কথা। আগেই চলে যাচ্ছেন যে? আমাদের আপ্যায়নে কোনো ত্রুটি হয়নি তো?’ খেঁকিয়ে উঠলেন সরদারজি, ‘ধুত্তোরি! এটা কোনো হোটেল হলো? বনের ভেতর কোথায় আপনারা একটু নিরিবিলিতে থাকার ব্যবস্থা করবেন, তা না। ভোর সকালে পাশের ঘরের লোকটা এত জোরে টিভি চালিয়ে রাখে, যে আমার হারমোনিয়ামের শব্দ আমি নিজেই শুনতে পাই না। ------------------------------------------------ হাবলু ভীষণ অলস। একদিন ঘটনাক্রমে সে একটা জাদুর প্রদীপ পেল। প্রদীপ ঘষতেই হাজির হলো দৈত্য। দৈত্য বলল, ‘আমি তোমার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব। ঝটপট বলো।’ হাবলু বলল, ‘আমি একটা পোষা ঘোড়া, একজন কুস্তিগীর আর একটা পিপড়া চাই।’ দৈত্য: ঘোড়া কেন? হাবলু: বাইরে একে তো প্রচণ্ড রোদ, তার ওপর যানজট। আমি ঘোড়ার পিঠে চড়ে এক ছুটে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে চাই। দৈত্য: কুস্তিগীর দিয়ে কী হবে? হাবলু: কুস্তিগীর আমাকে ঘোড়ার পিঠে তুলে দেবে। দৈত্য: তা তো বুঝলাম। কিন্তু পিঁপড়া কে...

সংকলন ১১- তরকারীর ঝোল পড়ে যাচ্ছে

এক বাংলাদেশি মন্ত্রী আমেরিকা গেল তার বন্ধুর বাড়ী । তার বন্ধু সেখানকার মন্ত্রী । বাংলাদেশী মন্ত্রী তার বন্ধুর অনেক সুন্দর বাড়িটা দেখে জিজ্ঞেস করল-"বন্ধু এত সুন্দর বাড়ি ? কিভাবে ? আমেরিকান: ঐ যে সামনে একটা ব্রীজ দেখতেছ ? বাংলাদেশি: হ্যাঁ । আমেরিকান: ঐটার ১০% আমার পকেটে । কিছুদিন পর আমেরিকান বাংলাদেশির বাড়িতে এল । এসে তো পুরাই থ হইয়া গেল । এতো তার বাড়ীর চেয়ে সুন্দর । তাই বন্ধুকে জিজ্ঞেস করল- "এত সুন্দর বাড়ী , কিভাবে ? বাংলাদেশী: ঐযে সামনে একটা ব্রীজ দেখতেছ ? আমেরিকান: না । হে হে কি বুঝলে? ;-) ---------------------------------------------------------------------------- স্বামী স্ত্রী তাদের ছোট বাচ্চাকে নিয়ে বেড়াতে বেরিয়েছে । এখন সিনেমা হলে ঢুকতে চাচ্ছে কিন্ত সেখানে ছোট বাচ্চা নিয়ে ঢোকা নিষেধ । তাই তারা একটা বেতেরঝুড়ি কিনে সেটাতে বাচ্চাকে রেখে ভিত জন্য এগিয়ে গেল ।গার্ডঃ ঝুড়িতে কি? স্বামীঃ দুপুরের খাবার । গার্ডঃ ও আচ্ছা , যান , আর ঝুড়িটা একটু সামলে ধরুন , ↓ তরকারীর ঝোল পড়ে যাচ্ছে! ! ! --------------------------------------------------------------------------------- পিচ্চি ...

সংকলন ১০- আবুলের নার্সের প্রেমে পড়া

আবুল হাসপাতালের এক সুন্দরী নার্সের প্রেমে পড়ে গেল। সে নার্সকে প্রেমের প্রস্তাব জানিয়ে একটা প্রেমপত্র লিখল। ঐ প্রেমপত্রে কি লেখা ছিল জানেন?? . I LOVE U SISTER . . . !!! ----------------------------------------------- মিলিটারী একাডেমীতে ট্রেনিং চলছে ... OFFICER , ক্যাডেট পল্টুকে কে জিজ্ঞেস করল : "তোমার হাতে এটা কি ?" পল্টু : "Sir, এটা বন্দুক ...!" OFFICER : "না ! এটা বন্দুক না ! এটা তোমার ইজ্জত , তোমার গর্ব , তোমার মা হয় মা !" , তারপর Officer দ্বিতীয় ক্যাডেট বল্টুকে জিজ্ঞেস করল : "তোমার হাতে এটা কি ?" , বল্টু : "Sir, এটা পল্টুর মা , ওর ইজ্জত , ওর গর্ব ! আমাদের আন্টি আন্টি হয়! -------------------------------------------------- বাবাঃ কিরে কাঁদছিস কেন? ছেলেঃ ঐ বুড়ো লোকটার পায়ে পাড়া মেরেছিলাম। বাবাঃ সে কি! উনার কাছে ক্ষমা চাসনি? ছেলেঃ হ্যাঁ চেয়েছি। বাবাঃ তবু মারলো? চলতো গিয়ে দেখি। বাবা বুড়োকে গিয়ে বললঃ কি ব্যাপার চাচা, ছেলেটা আপনার কাছে ক্ষমা চাইলো, তাও ওকে এভাবে মারলেন? বুড়োঃ সাধে কি আর মারছি?? তোমার পোলায় আমার পায়ে পাড়া দিয়া সর...

সংকলন ৯- বুড়ির পেপসি

আবুল সিনেমা হলে সিনেমা দেখছে। আবুলের পাশের সিটে বসেছে এক বুড়ো। ঐ বুড়োর হাতে একটা ছোট পেপসির বোতল। বুড়ো ৫ মিনিট পরপর বোতলে চুমুক দিচ্ছে। সিনেমায় দুর্দান্ত এ্যাকশন চলছে। কিন্তু একটু পরপর বুড়ো পেপসির বোতলে চুমুক দেওয়ায় আবুলের খুব ডিসটার্ব হচ্ছে। এভাবে অনেকক্ষণ চলার পরে আবুল বিরক্ত হয়ে বুড়োর হাত থেকে পেপসির বোতলটা কেড়ে নিয়ে বললঃ এটুকু খেতে এতবার চুমুক দিতে হয়? এই দেখেন, কিভাবে খেতে হয় !! এই বলে সে একচুমুকে বোতলের বাকি পেপসিটুকু খেয়ে ফেলল। বুড়ো ভীষণ অবাক হয়ে বলল ↓↓↓ . একি করলে বাবা !! . আমিতো পেপসি খাচ্ছিলাম না !! . ঐ বোতলে একটু পর পর পানের পিক ফেলছিলাম !! -------------------------------------------------- স্বামী অফিসে যাওয়ার সময় স্ত্রী বলল,একটা অন্যায় করে ফেলেছি। রাগ করবে না বল?  স্বামী : তোমার ওপর কি রাগ করতে পারি? কী হয়েছে? স্ত্রী : ইস্ত্রি করার সময় তোমার প্যান্টের পিছনটা পুড়ে ফেলেছি। স্বামী : তাতে কী হয়েছে? আমার তো ঠিক ওই রকম আরো একটা প্যান্ট আছে। .. .. .. স্ত্রী : জানি,আর সেই প্যান্টটা কেটেই তো পোড়া প্যান্টটা তালি মেরে দিয়েছি।! ---------------------------...

সংকলন ৮- বাস ড্রাইবার

একজন বাস ড্রাইবার এক্সিডেন্ট করে রাস্তার পাশে জমির ভিতর ঢুকে পরে পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞাস করল পুলিশঃ ফাকা রাস্তায় এরকম এক্সিডেন্ট করলি কেন? ড্রাইবারঃ স্যার, আমি তো ভালোভাবেই বাস চালাচ্ছিলাম হটাৎ করে এক পাগল রাস্তার মাঝে এসে নাচতে শুরু করল আমি ভাবলাম আমি যদি পাগলকে বাচাই,তাহলে বাসের সবাইকে মারতে হবে আর যদি বাসের সবাইকে বাচাই,তাহলে পাগলকে মারতে হবে আমি চিন্তা করে দেখলাম,একজনের চেয়ে সবাইকে বাচানো ভালো তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম পাগলটাকে মারবো !!  পুলিশঃ তাহলে বাস জমির দিকে চালালি কেন? ড্রাইভারঃ স্যার আমি যখন পাগলটাকে মারতে গেলাম তখন, পাগলটা দৌড়ে জমির ভিতর ঢুকে গেল, তাই.........।

সংকলন ৭- ছেলে আর মেয়েদের মানসিক দূরত্ব

ছেলে আর মেয়েদের মানসিক দূরত্ব জানেন ??? . . ২ টা মেয়ে এস এস সি পরীক্ষার্থীর কথোপকথন... ১ম জন-- বুঝলি আজকে রিমু আমাকে ৪টা অবজেক্টিভ জানতে চাইছিল তার ভুল উত্তর বলে দিছি। ২য় জন-- ভালো করছিস। এখন ওর রেজাল্ট খারাপ হবে। ↓ ২টা ছেলে এস এস সি পরীক্ষার্থীর কথোপকথন... ১ম জন -- মামা আজকে মেহেদীরে ৫ টা অবজেক্টিভ কইয়া দিছি। ২য় জন -- মেহেদী না তোরে একবার মারছিলো তাও কইয়া দিলি?? ১ম জন -- মারামারির সময় মারামারি। এখন পরীক্ষার সময় আগের কথা ভেবে লাভ আছে। ----------------------------------------------- কিভাবে পরীক্ষার হলে ৩ ঘণ্টা কাটাবেন...:- *নাম,রোল,বিষয়ের নাম ভালোভাবে সুন্দর করে খাতায় লেখা.. *ভালোভাবে চেক করা.. *বিষয়ের নাম ভালোভাবে চেক করা.. *প্রশ্নটা ভালোভাবে পড়া,যদি কোন বানানের ভুলধরা পড়ে.. *কলমের ব্র্যান্ড দেখা.. *হলে কয়টা ফ্যান আর লাইট আছে গোনা.. *আবার নাম,রোল আর বিষয়ের নাম চেক করা.. *পাশের আঁতেল গুলো কয়টা এক্সট্রা পৃষ্ঠা নেয়...গোনা.. *কাল রাতে শুধু শুধু পড়ে সময় নষ্ট করার জন্য অনুতাপ করা, তার চেয়ে 'How I met Ur mother' দেখা ভালো ছিল.. *এরপরের বারের পরীক্ষায় সিরিয়াস হওয়ার জন্য শপথ নে...

সংকলন ৬- সুলতানী আমল থেকে ঘুমাচ্ছি

কৌতুক ১। বাবাঃ আজ স্কুলের টিচার কী বললেন? ছেলেঃ বলেন তোমার জন্য একজন ভালো অংকের টিউটর রাখতে। বাবাঃ মানে? ছেলেঃ মানে তুমি হোমওয়ার্কের যে অংকগুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল। কৌতুক ২। শিক্ষকঃ এই ছেলে, তুমি কখন থেকে ঘুমাচ্ছো? ছাত্রঃ স্যার, সুলতানী আমল থেকে। শিক্ষকঃ আমার সঙ্গে ফাইজলামি! ছাত্রঃ না সত্যি! আপনি যখন সুলতানী আমল পড়াচ্ছিলেন তখন থেকেই। কৌতুক ৩। স্ত্রীঃ আমি যদি হঠাৎ মারা যাই। তাহলে তুমি কি করবে? স্বামীঃ তুমি মরে গেলে আমি পাগলই হয়ে যাব। স্ত্রীঃ আরেকটা বিয়ে করবেনা তো? স্বামীঃ পাগল হয়ে গেলে তো মানুষ কত কিছুই করে। কৌতুক ৪। স্ত্রী : কী ব্যাপার! বাজার থেকে পেঁয়াজ আননি কেন, দাম বেশি বলে পেঁয়াজ আনবে না? স্বামী : না, ঠিক তা নয়। স্ত্রী : তাহলে? স্বামী : পেঁয়াজ কাটতে বসে তুমি প্রতিদিন চোখের জল ফেলবে, দৃশ্যটা আমি সহ্য করতে পারি না।

সংকলন ৫- বাংলাদেশ বিস্কুট কোম্পানি

কৌতুক ১। এক গরু বিক্রেতা কোরবাণীর পশুর হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ডাকাতে ধরেলো- ডাকাতঃ-এই শালা, কী কী আছে দে! গরু বিক্রেতাঃ ভাই, আমার কাছে কিছু নাই ! ডাকাতঃ কিছু নাই কেন ? গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটা বিক্রি করতে পারিনাই । ডাকাতঃ গরুটা বিক্রি করতে পার নাই কেন ? গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটার দাম কম বলেছে, তাই বিক্রি করিনাই । ডাকাতঃ এই শালা,গরুটার দাম কম হলে আমরা টাকা কম পেতাম, তুই গরুটা বিক্রি করলিনা কেন? কৌতুক ২। তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল-- ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে । ২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!! কৌতুক ৩। এক বৃষ্টির দিনে মালিক তার কাজের লোককে বলছে- মালিক : রহিম, বাগানে পানি দিতে যা। কাজের লোক : হুজুর আজকে তো বৃষ্টি হচ্ছে। মালিক : বৃষ্টি হলে ছাতা নিয়ে যা! কৌতুক ৪। শিক্ষক : আচ্ছা, ‘বিবিসি’ মানে কী বল তো? ছাত্র : বাংলাদেশ বিস্কুট কোম্পানি। শিক্ষক : বেয়াদব! বাড়ি কোথায়? ছাত্র : এটাও হতে পারে, স্যার।

সংকলন ৪- তালগাছ দিয়ে মেছওয়াক

কৌতুক ১। প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে। মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।ছেলে :- কেন?মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে। কৌতুক ২। স্ত্রীঃ তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল। তাকে বারন করো। স্বামীঃ কেন বারন করবো? সে কি আমার সময় বারন করেছিল? কৌতুক ৩। মাতাল : কিরে, তোর আব্বা কই? ভাতিজা : আব্বাকে কী দরকার? মাতাল : এই তালগাছটা চাইতে এলাম। এটা দিয়ে একটা হাতের লাঠি বানাতাম। ভাতিজা : এই গাছটা আব্বা মেছওয়াক করার জন্য রেখে দিয়েছে। কৌতুক ৪। এক ফকির আরেক ফকিরকে বলছে ... -আজকে রাস্তায় ১০০টাকা কুড়াইয়া পাইছিলাম ! -১০০ টাকা দিয়া কি করলি ? -ফালাইয়া দিছি ! -কেন ? -কখনো কি ১০০ টাকার নোটে তিনটা শুন্য দেখছশ ? কৌতুক ৫। ছেলেঃ আমি আর স্কুলে যাব না বাবা। বাবাঃ কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না? ছেলেঃ তা নয়...

সংকলন ৩ঃ সন্ধি কাকে বলে

কৌতুক ১। শিক্ষকঃ বল্টু,বল সন্ধি কাকে বলে??? বল্টুঃ স্যার, প্রথমটুকু পারি না…শেষেরটুকু পার। শিক্ষকঃ মনে মনে বলছেন..(বল্টুরমতন খারাপ ছাত্র সন্ধি শেষেরটুকু পারলেও ভাল) তাই তিনি বললেন….. বল শেষেরটুকুই বল। বল্টুঃ স্যার, শেষেরটুকু হল………তাকে সন্ধি বলে। কৌতুক ২। একটা বাচ্চা ও পাশের বাড়ির মেয়ের কথোপকথন .... বাচ্চা: আপু আপনার পেট এত বড় কেনো? মেয়েঃ এতে আমার আদরেরসন্তান আছে তো তাই। বাচ্চা: এতোই যদি আদরেরতাইলে তাকে খেয়ে ফেলেছো কেনো । কৌতুক ৩। নরক সর্গ ফুটবল ম্যাচ স্বর্গ আর নরকের মধ্যে একটা ফুটবল ম্যাচ খেলা হবে। স্বর্গের বাসিন্দারা তো হেসেই খুন, বলে, ‘সেরা ফুটবলারদের সবাই তো স্বর্গে রয়েছেন, তো তোমরা খেলবে কাকে নিয়ে!’ তাই শুনে নরকের বাসিন্দারা হেসে জবাব দিল, ‘রেফারিরা যে সবাই এখানে, সেটা জানো না! কৌতুক ৪। Wife আর Wifi এর মধ্যে মিল কোথায়? দুটোর উপরই পাড়া-প্রতিবেশীর প্রবল নজর থাকে। পাসওয়ার্ড দুর্বল হলে দুটোই হ্যাক হয়ে যেতে পারে!!!

সংকলন ২: গোপাল ভাড়ের গল্প--ভাগবানের বিশ্বাস

খন্ড ১- গোপাল যাচ্ছে শ্বশুরবাড়ি। মাথার ওপর গনগনে সূর্য। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে গোপাল এক গাছের নিচে বিশ্রাম নিতে বসল। বেশি গরম লাগায় ফতুয়াটা খুলে পাশে রেখে একটু আয়েশ করে বসল। বসে বিশ্রাম নিতে নিতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ল, নিজেই জানে না। ঘুম যখন ভাঙল গোপাল দেখে, তার ফতুয়াটা চুরি হয়ে গেছে। হায় হায়! এখন কী হবে! খালি গায়ে তো আর শ্বশুরবাড়ি ওঠা যায় না। কী আর করা। সে হাঁটতে হাঁটতে মনে মনে বলতে লাগল, ‘হে ভগবান, রাস্তায় অন্তত ১০টি মুদ্রা যেন কুড়িয়ে পাই, তাহলে পাঁচ মুদ্রায় আমার জন্য একটা ভালো ফতুয়া কিনতে পারি। আর তোমার জন্য পাঁচটি মুদ্রা মন্দিরে দান করতে পারি···।’ আর কী আশ্চর্য! ভাবতে ভাবতেই দেখে, রাস্তার ধারে কয়েকটি মুদ্রা পড়ে আছে। খুশি হয়ে উঠল গোপাল, গুনে দেখে পাঁচটি মুদ্রা! গোপাল স্বগত বলে উঠল, ‘হে ভগবান, আমাকে তোমার বিশ্বাস হলো না, নিজের ভাগটা আগেই রেখে দিলে? খন্ড ২- গোপাল একবার তার দুই বেয়াই-এর সাথে এক জায়গায় যাচ্ছিল। পথের ধারে দক্ষিণমুখো হয়ে সে প্রস্রাব করতে বসলে এক বেয়াই বলল, “আরে করেন কি, আপনি জানেন না, দিনের বেলা দক্ষিণমুখো হয়ে প্রস্রাব করতে নেই, শাস্ত্রে নিষেধ আছে যে!” অপর বেয়াই বলল, “শুন...

সংকলন ১: ৫ টি মজার দম ফাটানো হাসির কৌতুক।

কৌতুক ১। এক লোক বিয়ে. করবে বলে মেয়ে দেখতে গেছে.... লোকটার একটা সমস্যা ছিল,. সে 'ক' কে 'প' বলত !! মেয়ের অভিভাবক. ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল... :তোমার নাম কি? :আমার নাম পাদের । (মানে কাদের) এই কথা শুনে মেয়ে কেদে উঠল। . তখন মেয়েটিকে কাদতে দেখে ছেলেটি তাকে সান্তনা দিতে গিয়ে বলল. . . . . . . . . . . তুমি পাদছ পেন,পাপলি? (মেয়ের নাম কাকলি) পাপলি,পাপলি তুমি আর পেদনা... তুমি পাদলে আমিও পিন্তু পেদে দেব । আর আমি পাদা শুরু পরলে পেও আমার পাদা থামাইতে পারবে না.... কৌতুক ২। শিক্ষক ছাত্রদের উদ্দেশে বললেন, ‘আমি ঠিক করেছি, তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে অলস যে, তাকে পড়া দিতে হবে না। কে সবচেয়ে অলস? ৪৯ জন ছাত্র হাত তুলল। স্যার হাত না তোলা ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি হাত তুলছ না কেন?’ ছাত্র জবাব দেয় স্যার, হাত তুলতে কষ্টহয়। কৌতুক ৩। এক মেয়ের বিয়ে হচ্ছে । সেখানে তার প্রাক্তন প্রেমিকও এসেছে !! তাদের ব্রেকাঅপ সম্পর্কে অজ্ঞ এক লোক এসে জিজ্ঞেস করল... --আপনিই কি বর ? প্রাক্তন প্রেমিকঃ “না রে ভাই !! আমি তো সেমিফাইনালেই বাদ হয়ে গেছি, ফাইনাল দেখতে আসছি !! কৌতুক ৪। এক চোর এক জুতার দোকানে চুরি কইরা ধরা...