সংকলন ১২- ঘোড়া কুস্তিগীর আর একটা পিপড়া
গ্রীষ্মের ছুটিতে কটা দিন নিরিবিলিতে কাটাবেন বলে বনের ভেতর একটা হোটেলে উঠলেন সরদারজি। দেখা গেল, দুদিন হোটেলে থেকেই বাক্সপেটরা নিয়ে বাড়ির পথ ধরেছেন তিনি।
ছুটে এল হোটেল ম্যানেজার, ‘স্যার, আপনার তো এক সপ্তাহ থাকার কথা। আগেই চলে যাচ্ছেন যে? আমাদের আপ্যায়নে কোনো ত্রুটি হয়নি তো?’
খেঁকিয়ে উঠলেন সরদারজি, ‘ধুত্তোরি! এটা কোনো হোটেল হলো? বনের ভেতর কোথায় আপনারা একটু নিরিবিলিতে থাকার ব্যবস্থা করবেন, তা না। ভোর সকালে পাশের ঘরের লোকটা এত জোরে টিভি চালিয়ে রাখে, যে আমার হারমোনিয়ামের শব্দ আমি নিজেই শুনতে পাই না।
------------------------------------------------
হাবলু ভীষণ অলস। একদিন ঘটনাক্রমে সে একটা জাদুর প্রদীপ পেল। প্রদীপ ঘষতেই হাজির হলো দৈত্য। দৈত্য বলল, ‘আমি তোমার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব। ঝটপট বলো।’
হাবলু বলল, ‘আমি একটা পোষা ঘোড়া, একজন কুস্তিগীর আর একটা পিপড়া চাই।’
দৈত্য: ঘোড়া কেন?
হাবলু: বাইরে একে তো প্রচণ্ড রোদ, তার ওপর যানজট। আমি ঘোড়ার পিঠে চড়ে এক ছুটে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে চাই।
দৈত্য: কুস্তিগীর দিয়ে কী হবে?
হাবলু: কুস্তিগীর আমাকে ঘোড়ার পিঠে তুলে দেবে।
দৈত্য: তা তো বুঝলাম। কিন্তু পিঁপড়া কেন?
হাবলু: ঘোড়া কি কষ্ট করে আমি ছোটাব নাকি? পিঁপড়া কামড় দেবে আর ঘোড়া ছুটবে!
---------------------------------------------------
মঞ্চে উঠে রাজনীতিবিদ বললেন, ‘আপনারা জানেন, আপনাদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে আমরা একটা সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছি। আজ আপনাদের জন্য এই সেতু সম্পর্কে দুটি সংবাদ আছে। একটা সুসংবাদ, একটা দুঃসংবাদ। সুসংবাদ হলো, সেতু তৈরির সব টাকার বন্দোবস্ত হয়ে গেছে। দুঃসংবাদ হলো, টাকাগুলো এখনো আপনাদের পকেটে আছে।
ছুটে এল হোটেল ম্যানেজার, ‘স্যার, আপনার তো এক সপ্তাহ থাকার কথা। আগেই চলে যাচ্ছেন যে? আমাদের আপ্যায়নে কোনো ত্রুটি হয়নি তো?’
খেঁকিয়ে উঠলেন সরদারজি, ‘ধুত্তোরি! এটা কোনো হোটেল হলো? বনের ভেতর কোথায় আপনারা একটু নিরিবিলিতে থাকার ব্যবস্থা করবেন, তা না। ভোর সকালে পাশের ঘরের লোকটা এত জোরে টিভি চালিয়ে রাখে, যে আমার হারমোনিয়ামের শব্দ আমি নিজেই শুনতে পাই না।
------------------------------------------------
হাবলু ভীষণ অলস। একদিন ঘটনাক্রমে সে একটা জাদুর প্রদীপ পেল। প্রদীপ ঘষতেই হাজির হলো দৈত্য। দৈত্য বলল, ‘আমি তোমার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব। ঝটপট বলো।’
হাবলু বলল, ‘আমি একটা পোষা ঘোড়া, একজন কুস্তিগীর আর একটা পিপড়া চাই।’
দৈত্য: ঘোড়া কেন?
হাবলু: বাইরে একে তো প্রচণ্ড রোদ, তার ওপর যানজট। আমি ঘোড়ার পিঠে চড়ে এক ছুটে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে চাই।
দৈত্য: কুস্তিগীর দিয়ে কী হবে?
হাবলু: কুস্তিগীর আমাকে ঘোড়ার পিঠে তুলে দেবে।
দৈত্য: তা তো বুঝলাম। কিন্তু পিঁপড়া কেন?
হাবলু: ঘোড়া কি কষ্ট করে আমি ছোটাব নাকি? পিঁপড়া কামড় দেবে আর ঘোড়া ছুটবে!
---------------------------------------------------
মঞ্চে উঠে রাজনীতিবিদ বললেন, ‘আপনারা জানেন, আপনাদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে আমরা একটা সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছি। আজ আপনাদের জন্য এই সেতু সম্পর্কে দুটি সংবাদ আছে। একটা সুসংবাদ, একটা দুঃসংবাদ। সুসংবাদ হলো, সেতু তৈরির সব টাকার বন্দোবস্ত হয়ে গেছে। দুঃসংবাদ হলো, টাকাগুলো এখনো আপনাদের পকেটে আছে।
Comments
Post a Comment