Posts

সংকলন ২০- নারী চরিত্র বনাম গোয়েন্দা

হোটেলে বসে খাচ্ছিল জোবায়ের আর ফয়সাল। হঠাৎ জানা গেল, কোথায় যেন ভীষণ আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে খাবার না খেয়েই ছুট লাগাল জোবায়ের। পেছন থেকে ডাকল ফয়সাল, ‘কিরে, তুই যে একজন দমকলকর্মী, জানা ছিল না তো!’ জোবায়ের: আমি না, তবে আমার প্রেমিকার বাবা একজন দমকলকর্মী। দেখা করার এই সুযোগ! ---------------------------- এক দুষ্ট ছেলে থানায় ফোন করেছে। – এইটা কি পুলিশ স্টেশন? – হ্যাঁ। – আপনি কি পুলিশ? – হ্যাঁ। – আপনার থানায় বাথরুম আছে? – হ্যাঁ। – আপনার বাথরুমে কমোড আছে? – হ্যাঁ, আছে। – তাহলে কমোডের মধ্যে মাথা ঢুকাইয়া বইসা থাকেন। এই বলে ছেলেটি ফোন কেটে দিল। কিছুক্ষণ পর পুলিশ নাম্বার বের করে কলব্যাক করল। ছেলেটির বাবা ফোন ধরল। পুলিশ অভিযোগ করল, আপনার ছেলে আমাকে কমোডে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে বলেছে। – কতক্ষণ আগে বলেছে? – এই ধরেন ১০ মিনিট। – তাহলে এখন মাথা বের করে ফেলেন। -------------------------- কোন দেশের পুলিশের দক্ষতা কেমন সেই নিয়ে কয়েক দেশের পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে। জাপানী পুলিশ : যে কোন ঘটনা কে ঘটিয়েছে সেটা জানতে আমাদের ৭২ ঘন্টা সময় লাগে। বৃটিশ পুলিশ : আরে দূর আমরা দুনিয়ার সেরা পুলিশ । অন্যায় কারীক...

সংকলন ১৯- ওজনের জন্য চিন্তা

জাদুঘরে বেড়াতে গিয়ে বেখেয়ালে একটা চেয়ার ভেঙে ফেলল পল্টু। হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এল জাদুঘরের কর্মচারী। বলল, ‘আরে করেছেন কী? জানেন, এই চেয়ারটা ৪০০ বছরের পুরোনো!’ হেসে বলল পল্টু, ‘যাক, বাঁচালেন। আমি তো ভেবেছিলাম নতুন!’ -------------------------- বিলু: শুনেছ, লাইব্রেরিতে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে! রঞ্জু: কেন, কী হয়েছে? বিলু: কেউ একজন ডিকশনারিতে ডিনামাইট খুঁজে পেয়েছে ------------------------ গ্রামের এক দম্পতি শহরে এসে একটা দুই-তলা বাসের দোতলায় উঠল। স্বামীটি কিছুক্ষণ এদিক ওদিক তাকিয়ে স্ত্রীকে বলল, এই নাম। এই বাসে ড্রাইভার নাই। ------------------------ বইয়ের দোকানে ঢুকে এক ভদ্রলোক কিছু বই চাইলেন। : কী রকম বই চান, বলুন। হালকা কিছু? : না, না, ওজনের জন্য আপনি মোটেই চিন্তা করবেন না। আমার সাথে গাড়ি আছে।

সংকলন ১৮- জীবজন্তু পড়তে পারে না

কোনো কোনো লেখক শুধু জীবজন্তু নিয়ে লেখেন কেন? : কারণ জীবজন্তু পড়তে পারে না। -------------------- : কী রে, প্রকাশকের সঙ্গে এতক্ষণ কী ফিসফাস করলি? : এই তো, আমার নতুন বইটার ভুত-ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু আলাপ-আলোচনা করলাম … : তা তিনি কী বললেন? : বললেন, আমার বইয়ের ভুত আছে তিনি নিশ্চিত, তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি সন্দিহন। -------------------- ভক্ত: আপনার আত্মজীবনীটা পড়ে খুব ভালো লাগল। লেখক: ধন্যবাদ। ভক্ত: এ রকম আরও কয়েকটা লিখুন না। ------------------- লেখক : আমি যে লেখালেখির কিছুই জানি না সেটা আমি এতদিনে বুঝতে পারলাম। সাংবাদিক : তা হলে এখন কি আপনি লেখালেখি ছেড়ে দিবেন? লেখক : তা-ই বা কেমন করে দিই? এখন তো আমি বিখ্যাত লেখক।

সংকলন ১৭- সিটটা কি খালি

ছেলে: আপনার পাশের সিটটা কি খালি? মেয়ে: জি। আপনি বসলে আমারটাও খালি হয়ে যাবে। -------------------------- ফ্লাট বাড়ির তিন তলায় ছয় বছরের এক ছেলে কলিংবেল বাজাবার চেষ্টা করছে কিন্তু নাগাল পাচ্ছে না। এক ভদ্রলোক তা দেখে কলিংবেল টিপে জিজ্ঞেসা করলেন, আবার কী করব? ছেলেটি বলল, আমি তো পালাব। আপনি কি করবেন তা আমি কি জানি? --------------------------- এ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নারীজাতিকে একদম রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছে। —মানে? —মানে, দেখিস না, প্রতিটি স্কুলের সামনে মায়েরা কেমন রাস্তায় বসে থাকে! --------------------------- অল্প বয়সের এক ছেলেকে সিগারেট খেতে দেখে এক ভদ্রমহিলা ধমকে উঠলেন, এই ছেলে, এই বয়সে সিগারেট খাচ্ছ লজ্জা করে না তোমার! ছেলে পাল্টা ধমকে উঠল, আপনি যে পরপুরুষের সাথে কথা বলছেন আপনার লজ্জ করে না! -

সংকলন ১৬- ১০০ রান করতে দিব না

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন অধিনায়ক। সাংবাদিক: আজকে আপনাদের পরিকল্পনা কী? অধিনায়ক: যে করেই হোক, বিপক্ষ দলকে আজ আমরা ১০০ রান করতে দেব না। সাংবাদিক: এত নিশ্চিত হচ্ছেন কী করে? অধিনায়ক: কারণ, আমরা আজকে আগে ব্যাট করব এবং ১০০ রানের নিচে অলআউট হয়ে যাব। --------------------------------------------- একজন মোটামুটি টাইপের ক্রিকেটারের বাবা ছিলেন অন্ধ। কিন্তু তিনি চোখে দেখতে না পেলেও ছেলেকে উৎসাহ দিতে ছেলের প্রতিটা ম্যাচে মাঠে উপস্থিত থাকতেন। একটা বড় ম্যাচের আগের রাতে ক্রিকেটারের বাবা মারা গেলেন। পরের দিন ছেলেটি এত ভাল খেলে ম্যাচ জিতিয়ে হিরো হয়ে গেলেন। সবাই তো অবাক! সংবাদিকরা জিজ্ঞেস করলেন, হঠাত করে এমন ভালো খেলার কারণ কী? ক্রিকেটার উত্তর দিলেন, এই প্রথম আমার বাবা আমার খেলা দেখছিলেন। --------------------------------------------- ডব্লিউ জি গ্রেস একবার বোল্ড আউট হলেন। বিস্মিত হয়ে তিনি আম্পায়ারকে বলছিলেন, ‘বল উইকেটে লাগেনি, স্যার। বাতাসে বেল পড়ে গেছে।’ আম্পায়ার বললেন, ‘যে বাতাস বেল ফেলে দিতে পারে, আশা করি, সেই বাতাস আপনাকে প্যাভিলিয়নে পৌঁছে দিতেও সাহায্য করবে।’

সংকলন ১৫- ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই

মিস্টার রবার্ট আর মিসেস রবার্ট দুজন প্রায়ই একটি বেসরকারি বিমানবন্দরে বেড়াতে যান। সুন্দর, ছোট্ট বিমানগুলো দেখে রবার্ট মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে বলেন, ‘আমরা যদি একদিন এমন একটি বিমানে ঘুরে বেড়াতে পারতাম!’‘ মাথা খারাপ! অমন একটা বিমানে চড়তে ১০০ ডলার লাগে। ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ স্বামীকে বোঝান মিসেস রবার্ট। এভাবে এক দিন, দুই দিন, তিন দিন…প্রতিদিন মিস্টার রবার্টের একই আবদার। মিসেস রবার্টেরও একই কথা, ‘…১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ অবশেষে একদিন একজন বৈমানিক তাঁদের প্রতি সদয় হলেন। বললেন, ‘আমি তোমাদের বিনা মূল্যে আকাশটা ঘুরিয়ে আনতে পারি এক শর্তে। তোমরা একটা টুঁ শব্দ করতে পারবে না। যদি করো, তাহলে ১০০ ডলার দিতে হবে। ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ মিস্টার আর মিসেস রবার্টকে নিয়ে বিমান আকাশে উড়ল। তাঁদের ভয় দেখানোর জন্য বৈমানিক আকাশে বেশ কয়েকবার ডিগবাজি খেলেন, মাটির খুব কাছাকাছি দিয়ে ছুটে গেলেন, প্রচণ্ড ঝাঁকি দিলেন। পেছনে টুঁ শব্দটাও হলো না। নিচে নেমে বৈমানিক বললেন, ‘কীভাবে পারলেন আপনারা?’ রবার্ট বললেন, ‘আমার স্ত্রী যখন জানালা দিয়...

সংকলন ১৪- বিএসএফ (এক্সট্রিম :D)

একদিন এক বাংলাদেশী দম্পতি ট্রেনে করে কলকাতা যাচ্ছিলো.সেই বগিতে পাঁচজন BSF সৈন্য ও ছিল. বাংলাদেশী দম্পতির বউ ছিল গর্ভবতী.তখন BSF সৈন্যরা ভাবল তাদের নিয়ে একটু মজা করবে.তখন BSF সেনা বাংলাদেশী নাগরিকে প্রশ্ন করল,তোমরা কোন দেশের নাগরিক? বাংলাদেশী লোকটা বলল আমি বাংলাদেশের নাগরিক. তখন সেনাটি বলল, তোমার বউ কি প্রেগনেট? বাংলাদেশী লোকটা বুঝতে পারে সেনাটি ইচ্ছা করে তাকে অপমান করার জন্য কথাটি বলসে. তখন লোকটিবলল, হ্যা. সেনাটি এবার বলল যদিতোমার ছেলে হয় তবে তাকে ভবিষ্যতে কি হিসেবে দেখতে চাও? তখন লোকটি বলল, কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার. সেনাটি আবার প্রশ্নকরল, যদি মেয়ে হয় তবে? লোকটি বলল, ডাক্তার তখন. সেনাটি লোকটিকে অপমান করার জন্য বলল, যদি ছেলে মেয়ে উভয় হই মানে হিজড়া হয় তখন কি করবে? তখনলোকটি হেসে বলল, "কেন BSF এর সেনা বানাব"